রূপসদী অসহায় পরিবারের উপর হামলা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি

অসহায় পরিবারের উপর হামলা

১৮২

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী ইউনিনে জায়গা বিরোধের জেরে মরহুম ফুরকান চৌকিদারের পারিবারের উপর হামলা ও লুটের অভিযো পাওয়া গেছে। এক ই সাথে বিচার কালে বিচারক কে লাঞ্চিত করে থানায় মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।  রূপসদী দক্ষিন পশ্চিম পাড়ার হতদরিদ্র ফুরকান মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়া ও তার পরিবারের উপর হামলার পর তাকে রক্ষা করতে গিয়ে গুরুতর আহত হন প্রতিবেশী জয়নাল আবেদিন (৬৫) ও হাসেম মেম্বার । ভাঙচুর করা হয় অসহায় পরিবারের ঘড়বাড়ি এবং তাদের ঘড়ের চারপাশে দেওয়া হয় বাঁশের বেড়া। ঘর থেকে বের হতে পারছেনা  অসহায় পরিবার এর লোকজন।

গত শনিবার বিকালে এভাবেই অসহায় পরিবারের লোকজনের ওপর চলে প্রতিপক্ষের তাণ্ডব আর হিংস্রতা। এতেই ক্ষান্ত হয়নি তাণ্ডবকারীরা। ওই দিনই প্রতিপক্ষের বজলুর হক সাগর মিয়া (৩৫) বাদী হয়ে হামলার শিকার অসহায় পরিবারের বিরুদ্ধে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায়  মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। অসহায় পরিবারটির ওপর নারকীয় এই হামলা ও মামলা নাড়া দেয় এলাকাবাসীকে। সম্মিলিতভাবে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন এলাকাবাসী । মানবিক দিক বিবেচনা করে অসহায় পরিবারটির পক্ষে অবস্থান নিয়ে গ্রাম বাসি বিচারের দাবি জানান।   এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়  ১৯৯৮ সাল থেকে কয়েক দফা বিচার শালিশ হয়েও এই সমস্যার কোন সমাধান হয় নি। এরই জের ধরে এবার হামলার সিকার হয়েছেন বিচারকও। সালিসে বিচারক হিসেবে ছিলেন ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার আব্দুল হাসেম, নুরুল ইসলাম চেয়ারম্যান,বাতেন মিয়া রেনু মেম্বার, করিম মেম্বার, হকসাব, নজরুল ইসলাম, জয়নাল আবেদন, হাসেম মেম্বার সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গ। সালিশ চলা কালে কথাকাটাকাটির এক পর্যায় সাগর মিয়ার আক্রমনে আহত হয় হাসেম মেম্বার ও জয়নাল আবেদিন। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় সাগর মিয়া ২০০০ সালে থেকে ভূমি সহকারি অফিসার হিসেবে চাকরি শুরু করে। চাকরি কালে সীমাহীন দূর্নিতির কারনে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিনগর থেকে ঝাড়ুর মিছিলের মাধ্যমে চাকরি চুত্ত্ব করা হয়।

এলাকায় সে অর্থের দাপট দেখিয়ে সাধারন মানুষকে ভয়ভীতি দেখায় । তার অবৈধ টাকায় এখন ঢাকা শহরের একাধিক বাড়ির মালিক হয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী।  রাসেল মিয়া বলেন, বজলুল হক সাগর মিয়ার ভাড়া করা সন্ত্রাসী আমাদের ঘর বাড়ি ভাংচুর করেছে টিউবওয়েল উঠাইয়া নিয়া গেছে, আমার শ্বশুর বাড়ি থেকে ২০ হাজার টাকা ও স্বর্নের গহনা নিয়া গেছে। হাসেম মেম্বার বলেন এই জমির সমস্যা চলছে গত ১৯৯৮ সাল থেকে।  তবে আমরা ২৫/৩০ বার সালিশে সমাধান  দিলেও তাদের ক্ষোভের কোন শেষ নেই। তিনি আরও বলেন  বজলুল হক সাগর মিয়া ভাল লোক না সে আমাদের কে অসম্মান করকে পারে না,  আমরা তার বিচার চাই।  বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ওসি  সালাউদ্দিন চৌধুরী বলেন অভিযোগ পেয়েছি তাকে অতি শ্রীঘ্রই আইনের  আওতায় আনা হবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.